7b7 কীভাবে শুরু হয়েছিল?
২০১৯ সালে একদল তরুণ টেক উদ্যোক্তা মিলে একটা সমস্যার সমাধান খুঁজছিলেন। সমস্যাটা ছিল সহজ — বাংলাদেশের অনলাইন গেমারদের জন্য কোনো নির্ভরযোগ্য, বাংলা ভাষায় সাপোর্ট দেওয়া, দ্রুত পেমেন্টের প্ল্যাটফর্ম ছিল না। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা প্রায়ই ভাষার সমস্যায় পড়তেন, পেমেন্ট আটকে যেত, আর সাপোর্ট পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো।
সেই সমস্যার সমাধান করতেই 7b7-এর যাত্রা শুরু। নামটা এসেছে একটা সরল দর্শন থেকে — সাত দিন, চব্বিশ ঘণ্টা, সাত রকম সুবিধা নিয়ে আমরা সব সময় আপনার পাশে আছি। প্রথম দিন থেকেই আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল একটাই: বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এমন একটা জায়গা তৈরি করা যেখানে তাঁরা নিশ্চিন্তে খেলতে পারবেন।
আমরা কী বিশ্বাস করি?
7b7-এর পুরো দল বিশ্বাস করে যে অনলাইন গেমিং একটি বৈধ বিনোদন — ঠিক যেমন সিনেমা দেখা বা খেলাধুলা উপভোগ করা। কিন্তু এই বিনোদন তখনই সুন্দর যখন এটা স্বচ্ছ, নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে পরিচালিত হয়। তাই আমরা কখনো বেশি প্রতিশ্রুতি দিই না, বরং যা বলি তা করে দেখাই।
আমাদের গেমগুলো সম্পূর্ণ সিড-ভেরিফাইড এবং স্বীকৃত প্রোভাইডারদের সাথে কাজ করা হয়। পেমেন্টে কোনো লুকানো চার্জ নেই। বোনাসের শর্তগুলো পরিষ্কার ভাষায় লেখা। এই স্বচ্ছতাটাই 7b7-কে অন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে।
বাংলাদেশের বাজার বোঝার চেষ্টা
বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম অনন্য। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে কোটি মানুষ প্রতিদিন লেনদেন করছেন। 7b7 সেই বাস্তবতাকে সম্মান করে। আমরাই প্রথম প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি যারা বাংলাদেশি মোবাইল ব্যাংকিংকে সম্পূর্ণভাবে সংহত করেছে — শুধু ডিপোজিটে নয়, উইথড্রয়ালেও।
এছাড়া আমরা বুঝি বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি সব সময় একরকম থাকে না। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্ম হালকা ডেটায়ও ভালোভাবে কাজ করে। ৩জি কানেকশনেও লাইভ বেটিং করা সম্ভব — এটা নিশ্চিত করতে আমাদের প্রযুক্তি দল বছরের পর বছর কাজ করেছে।
খেলোয়াড়দের সুরক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার
7b7-এ প্রতিটি অ্যাকাউন্ট যাচাই করা হয়। অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাকাউন্ট খোলার কোনো সুযোগ নেই। দায়িত্বশীল গেমিং সেকশনে প্রতিটি সদস্য নিজের জন্য দৈনিক বা সাপ্তাহিক বেট লিমিট ঠিক করতে পারেন। প্রয়োজনে সাময়িক অ্যাকাউন্ট বিরতিও নেওয়া যায়।
আমরা জানি গেমিং কখনো কখনো আসক্তিতে পরিণত হতে পারে। সেটা ঠেকাতে আমাদের সাপোর্ট টিম প্রশিক্ষিত। কোনো সদস্যের আচরণে অস্বাভাবিক কিছু দেখলে আমরা নিজে থেকে যোগাযোগ করি।